1. info@chattolarkantho.net : Chattolar kantho : Chattolar Kantho
September 19, 2026, 2:27 am
সংবাদ শিরোনাম: :
রোয়াংছড়ি-রুমায় প্রথম সরকারি সফরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিং উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিসমূহ সক্রিয়করণে কাজ করতে হবে ফটিকছড়ি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা সুন্দরবন রক্ষায় ভান্ডারিয়ায় শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা বরইতলীতে মাইগ্রেশন ফোরাম ও জিএমসি কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রোয়াংছড়িতে ওয়াশ প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক আলোচনা সভা রোয়াংছড়িতে বাল্যবিবাহমুক্ত গ্রাম ও শিশু অপুষ্টিমুক্ত ইউনিয়ন গড়তে আলোচনা শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনী জাহাজের বাংলাদেশে আগমন রোয়াংছড়িতে ২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরো ১৬৮ বাংলাদেশি স্বার্থের চর্চা ভুলে বিবেকের চর্চা করুন: ডিসি জাহিদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ, আর্থিক সহায়তা ইলিশ ধরা ও ক্রয়-বিক্রয়ে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চসিকের ওয়ার্ড পর্যায়ে ডিল্যাক কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ শ্রীমতি স্মৃতি কণা বড়ুয়ার প্রয়াণের ছয়মাসিক সংঘ দান ও অষ্টপরিষ্কার দান সম্পস্ন মাটিরাঙ্গার দুর্গম ধনিরাম পাড়ায় যৌথ মেডিকেল ক্যাম্প ও পুষ্টি প্রদর্শনী ভাণ্ডারিয়ায় মাদকসহ দুইজন আটক,একজনকে ১ বছর কারাদণ্ড মিজোরাম থেকে স্বদেশে ফিরল তিন বম পরিবার: শেকড়ের টানে ১৮ সদস্যের আত্মিক প্রত্যাবর্তন ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভা ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের পর নারীর কর্মসংস্থানের পথও দেখাতে হবে: ডিসি জাহিদ রোয়াংছড়িতে তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ২৬ ধরনের সরঞ্জাম হস্তান্তর ডেঙ্গু প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে ভান্ডারিয়ায় সচেতনতা সভা ১৬ সেপ্টেম্বর শিল্প উদ্যোক্তা নিরোদ বরণ বড়ুয়ার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী বকেয়া পরিশোধের দাবিতে চট্টগ্রামে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের ‘পথে পথে প্রতিবাদ’ “শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ৩৮ তম উরস শরিফ উপলক্ষে প্রশাসনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত” শিক্ষকদের বেতন বন্ধের অভিযোগে ভাণ্ডারিয়ায় প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু এবার প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর স্থগিত

আজ দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিন

চট্টলার কণ্ঠ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত সময় : Saturday, August 15, 2026

নদী মেখলা শ্বাশত বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ ১৫ আগস্ট শনিবার এক অনন্য দিন। জগত জুড়ে প্রলয়ংকরী ধ্বংস আর ধ্বংসাবশেষের ক্ষত-বিক্ষত চিহ্ন উত্কীর্ন রেখে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিরত এইদিনে জন্ম হয়েছিল খালেদা খানম পুতুলের। ফেনী ফুলগাজীর ইস্কান্দার মজুমদার আর দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী চন্দনবাড়ির তৈয়বা মজুমদার দম্পতির কোলজুড়ে নতুন ভোরের দীপ্তি নিয়ে আসেন তিনি। কাল-পরিক্রমায় বাবা-মায়ের আদরের সেই পুতুলই বংলাদেশের গণতন্ত্রের শিখন্ডি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, দেশপ্রেমের অন্যতম প্রতীক জনগনের আস্থার অনিবার্য স্তম্ভ হয়ে ওঠা বেগম খালেদা জিয়া। এক্ষনে দেশপ্রেমের নিক্তিতে মানচিত্রে মিশে থাকা নাম তিনি। গণতন্ত্রের জন্য তার দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম তাকে ভূষিত করেছে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খেতাবে। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান তিনি।

একনায়কতন্ত্র, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের প্রশ্নে তিনি ‘আপসহীন’ নেত্রীর উপাধি পান।তবে তার ‘দেশনেত্রী’ হয়ে উঠার পথ কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। পদে পদে কেটেছে ষড়যন্ত্র, নির্যাতন, প্রতিহিংসা পরায়নতা, জিঘাংসা-জিঘাংসার অক্টোপাসের আবর্তে। বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক চার বারের অতি জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্ম বার্ষিকী।

স্বামী স্বাধীনতার তূর্যবাদক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গড়া মা,মাটি ও মানুষের রাজনৈতিক দল—বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে সুদৃঢ় সাংগঠনিক কাঠামো, তৃনমূলের ভিত্তি ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে। নানা চড়াই-উত্রাই-আন্দোলন সংগ্রাম, অভ্যূত্থানের বাঁকে বাঁকে অনবরত রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও সংঘাত-সংকটের পাটাতনের ওপর বেগম খালেদা জিয়ার অবিনাশী সুদৃঢ় নেতৃত্বে ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়িয়ে দলটি তার প্রাসঙ্গিক উপযোগিতা, গ্রহণযোগ্যতা, অসম জনপ্রিয়তা ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা বার বার অনিবার্য হয়েছে। কেবল গণতান্ত্রিক সুতীব্র আপোষহীন লড়াই-আন্দোলনই নয়, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষিন এশিয়ায় ইমার্জিং টাইগার হয়ে ওঠার পদযাত্রায় বেগম জিয়া ইতিহাসের এক অবিস্মরনীয় অংশ হয়ে উঠেন। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন ব্যক্তি নন, নিজ কর্মগুণে নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। হয়ে উঠেছেন এক জীবন্ত ইতিহাস। পতিত স্বৈরাচার হাসিনার জিঘাংসায় দেড় দশকের অকল্পনীয় নিপীড়ন-নির্যাতন, চিকিত্সাহীনতা, শ্লো-পয়জনিংয়ের শিকার হয়ে বেগম খালেদা জিয়া গত বছর ৩০ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর জানাজায় সর্বস্তরের লক্ষ লক্ষ মানুষের সজল সকরুন অংশ গ্রহণ অতীতে কেউ দেখেনি। শোক, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদায় জানায় দেশের মানুষ।  ৮২ বছল পূর্বে আজকের এই দিনে জাতীয়তাবাদী শক্তির অবিসংবাদিত আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের কর্মস্থল অবিভক্ত ভারতের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাক্ষত্রিক বিভায় উদ্ভাসিত এই মহান নেত্রীর মধুরতম জন্মদিন এবার এমন এক সময় উপস্থিত হয়েছে যখন তিনি জনসমুখে না থাকলেও তার সুযোগ্য হিরান্ময় উত্তরসূরী তাঁর জেষ্ঠ্য পুত্র জনগনের প্রানভোমরা তারেক রহমানেরে হতে দেশের মানুষ তুলে দিয়েছেন রাষ্ট্রপরিচালনার গুরুভার। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের অবিস্মরনীয় নেতৃত্বে বিএনপি অভাবনীয় ভূমিধ্বস বিজয় অর্জন করেছে। বেগম খালেদা জিয়ার বন্দীত্বকালের সাড়ে ছয় বছরে তারেক রহমান লন্ডনে নির্বাসিত থেকেই দলকে তৃনমূল শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন। দূর পরবাসে থেকে শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে এক বিরল ইতিহাস রচনা করেছেন। শেখ হাসিনার পতিত সরকারের রোষানলে পড়েন তারেক রহমান। তাকে কয়েকটি সাজানো মামলায় সাজা দেয়া হয়। তার বক্তব্য প্রচারে আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তার কণ্ঠ বাজেয়াপ্ত করা হয়। তারপরও প্রতি মুহুর্ত দেশে নেতা-কর্মী-সমর্থক ও সাধারন জনগনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করে একদিকে দলকে পুনর্গঠিত ও শক্তিশালী করেন এবং তুমুল আন্দোলন গড়ে হাসিনাশাহীর পতনে অভাবনীয় রাজনৈতিক দক্ষতার নজীর স্থাপন করেন শহীদ জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমান। ২০ বছর পর আবারও জনগণের বিপুল সমর্থন ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত জনবান্ধব সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে ধারণ করে তার অঙ্গীকার পূরন করে চলেছে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর আজ ১৫ আগস্ট তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রথম জন্মদিন শোক, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দোয়ায় তাকে স্মরণ করবেন বিএনপির অগণিত নেতা-কর্মীসহ দেশবাসী।

মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বর্নাঢ্য জীবনের ইতিহাস সামান্য নয়। পৃথিবীতে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা থেমেছে মাত্র। তখন শরতের স্নিগ্ধ ভোর। জলপাইগুড়ির নয়াবস্তির ছোট্ট শহরে নতুন ফুটফুটে শিশু কন্যার আগমনে পরিবারে বইছে আনন্দের ঝর্নাধারা। তার নাম রাখা হয় ’শান্তি’। পরে মেঝ বোন সেলিনা ইসলাম ফুটফুটে পুতুলের মতো শিশুর নাম রাখেন ‘পুতুল’। বেগম খালেদা খানম পুতুল জন্মের পর প্রথম দুইবছর কাটে জলপাইগুড়িতে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান একটি স্বাধীন দেশ হলে তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদার দিনাজপুরে চলে আসেন। সেখান স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। বেগম খালেদা জিয়ার শৈশব ও শিক্ষা জীবন কাটে দিনাজপুরে। পাঁচ বছর বয়সে খালেদা খানম পুতুলকে তার বাবা দিনাজপুরের সেন্ট জোসেফ কনভেন্টে ভর্তি করান। সেখানে বেগম খালেদা জিয়া প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে তিনি দিনাজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। এরপর দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি হন। ১৯৬৩ সালে এ কলেজ থেকে বেগম খালেদা জিয়া ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কলেজে পড়ার সময় তত্কালীন দিনাজপুরের মুদিপাড়ায় পিত্রালয়ে ১৯৬০ সালের ৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর তরুণ ক্যাপ্টেন সুদর্শন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদা খানম পুতুল পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৬৫ সালে কলেজে ডিগ্রি কোর্সে অধ্যয়নকালে বেগম খালেদা জিয়া স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এদেশের স্বাধিকারকামী মানুষের ওপর নৃশংসরূপে ঝাঁপিয়ে পড়লে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে নিয়োজিত অসীম সাহসী তত্কালীন মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এমনি পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামে কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার পর ছোট্ট দুই ছেলেকে নিয়ে ১৬ মে নৌ’পথে ঢাকায় আসেন। বড় বোন খুরশীদ জাহান হকের বাসায় ২৭ জুন পর্যন্ত আত্মগোপন করে থাকেন। ২ জুলাই পাক সেনারা দুই ছেলেসহ তাঁকে বন্দী করে। দীর্ঘদিন গৃহবন্দী থাকার পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩১ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কিছু বিপদগামী সেনা সদস্যের হাতে শাহাদত বরণ করেন। ততদিন অবধি সাধারন আটপৌরে গৃহবধুই ছিলেন তিনি। শেষাবধি দলের নেতা-কর্মীদের দাবির টানে ঘরের চৌহদ্দি ডিঙ্গিয়ে নামতে হয় রাজপথে। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। পরের বছর মার্চে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। ৯০ এ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকায় তিনি আপোসহীন নেত্রী হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। স্বৈরাচারের পতনের পর নির্বাচনে জনগন বেছে নেন তাইে। রাজপথ হয়ে বাংলাদেশের এই প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর গৌরবে অভিষিক্ত হন বেগম জিয়া। তিন বার সর্বাধিক ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশে বেগম খালেদা জিয়াই একমাত্র নেত্রী যিনি অন্তত ১১ বার বন্দীদশা মোকাবিলা করে স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে ভ্রুকুটি করে ষড়যন্ত্র ও কুটিলতার জাল ছিন্ন করে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উজ্জ্বল পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলেন এবং সফলকাম হয়েছিলেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত দিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ

সম্পাদকীয় কার্যালয়: ৩২১ দিদার মার্কেট( চতুর্থ তলা) নবাব সিরাজউদদৌলা রোড, কোতোয়ালি, চট্টগ্রাম। যোগাযোগ: +৮৮০১৭১৭-৯৯১৩৯৮। ইমেইল: weeklychattolarkantho.com@gmail.com