পরবর্তী পর্বে আসছে বিভিন্ন অনিয়মের ধারাবাহিক প্রতিবেদন!
পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতায় মাচালং, লক্ষীছড়ি পূর্ব রেঞ্জ ও লক্ষীছড়ি পশ্চিম রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী বনে থাকা বহু বছরের পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে নির্দ্বিধায়। টাকার লোভে এভাবে বন কাটায় হতবাক স্থানীয়রাও।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা বনের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করেছেন এবং বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। তারমধ্যে অন্যতম হলেন মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ,তারা বনের গাছ কেটে পাচার করেছেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তারা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। রেঞ্জ কমকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজী।
তিনি এই বন এলাকাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ইতিপূর্বে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তার দূর্নীতি ও ঘুষ বানিজ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি বহাল তবিয়তে আছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়ে অভিযোগ করে আসছি, কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এই দুর্নীতি চলছে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম নিয়াজি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত আছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশ থাকতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে কে বনভূমি রক্ষা এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
সরকারি বন বিভাগ রক্ষায় এবং এসব অনিয়ম দূর্নীতি বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ চায় স্থানীয় জনগণ।
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন