কাজির দেঊরি এলাকার হোটেল জামান এন্ড বিরিয়ানি হাউজ!
চট্টলার কণ্ঠ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম নগরীর বেশীরভাগ নামি দামি হোটেল রেস্টুরেন্টের চিত্র যেন উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট। নামি দামি হোটেল ও রেস্টুরেন্টের আড়ালে চলছে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা। ভোক্তা অধিকারের অভিযানে একের পর এক বেড়িয়ে আসছে ভয়ানক প্রতারণার চিত্র। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, পচা বাসি খাবার সরবরাহ থেকে শুরু করে বিষাক্ত ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশাতেও পিছপা হচ্ছে না এসব হোটেল মালিকরা। তেমনিই আরেক ভয়াবহ চিত্র বেড়িয়ে এলো কাজির দেঊরি এলাকার হোটেল জামান রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরিয়ানি হাউজে।অভিযানে মিললো রান্না করা, বাসি, ফাঙ্গাস যুক্ত মাংস বিক্রয়ের উদ্দেশ্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করা এবং অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ।
আজ বুধবার ৮ জানুয়ারি বিকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্রগ্রাম জেলা কার্যালয় বন্দর নগরীর কাজীর ডেউড়ি বাজার এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন, ফয়েজ উল্যাহ (উপ-পরিচালক), মো: আনিছুর রহমান (সহকারী পরিচালক), রানা দেবনাথ (সহকারী পরিচালক), মাহমুদা আক্তার (সহকারী পরিচালক) এবং মোঃ আফতাবুজ্জামান (ক্যামেরাম্যান)।
অভিযানে হোটেল জামান রেস্টুরেন্ট এন্ড বিরিয়ানি হাউজ’ এ; রান্না করা, বাসি, ফাঙ্গাস যুক্ত মাংস বিক্রয়ের উদ্দেশ্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করা এবং অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ করায় ১,০০,০০০ ( এক লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
ইকরা মেডিসিন সেন্টার এ মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয়ের উদ্দেশ্য সংরক্ষণ করা এবং অন্যের মোরগ বিধি লংঘন করায় ২০,০০০(বিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
কিচেন রেস্টুরেন্ট এ রান্না করা বাসি খাবার বিক্রির উদ্দেশ্য ফ্রিজে সংরক্ষণ এবং অননুমোদিত রঙ এবং কেমিক্যাল ব্যবহার করে খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত করায় ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
হোটেল লায়লাতে অননুমোদিত কেমিক্যাল ব্যবহার করে খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত করায় ৬,০০০ ( ছয় হাজার) টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় এর (উপ-পরিচালক) ফয়েজ উল্যাহ জানান, আজকের অভিযানে ৪টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১,৩৬,০০০ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ এবং তা আদায় করে ভবিষ্যতে যেন এমন অপরাধ সংগঠিত না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এছাড়া উক্ত বাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং অন্যান্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের বিক্রেতাগণের সাথে আলোচনা করে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন করা হয়।
জনস্বার্থে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা ।
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন