বোয়ালখালী প্রতিনিধি: চট্টলার কণ্ঠ: জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা কার্যক্রমের প্রথম দিনে চট্টগ্রামের নগর ও উপজেলা মিলে ৪০ হাজার ৬৪৪ জন কিশোরীকে এ টিকা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে নগরের ৭টি সেন্টারে ১২ হাজার ৩৭১ জন এবং ১৫ উপজেলায় ২৮ হাজার ২৭৩ জন কিশোরী টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে, চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার মধ্যে বোয়ালখালীতে ২ হাজার ৫১ জন, আনোয়ারা উপজেলায় প্রথম দিনে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের টিকা নিয়েছেন ১ হাজার ৭৬১ জন, বাঁশখালী উপজেলায় ১ হাজার ৮৭৪ জন, চন্দনাইশে ২ হাজার ১৪২ জন, ফটিকছড়িতে ৩ হাজার ১১৩ জন, হাটহাজারীতে ৯৪৩ জন, কর্ণফুলীতে ১ হাজার ৬০২ জন, লোহাগাড়া উপজেলাতে ১ হাজার ৪৬৪ জন, মিরসরাইতে ২ হাজার ৪৫৫ জন, পটিয়াতে ১ হাজার ৫৬৭ জন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১ হাজার ৮৩২ জন, রাউজান উপজেলার ১ হাজার ৭৪৩ জন, সন্দ্বীপের ১ হাজার ৮২৪ জন, সাতকানিয়া উপজেলার ২ হাজার ২৮০ জন এবং সীতাকুণ্ডের ১ হাজার ৬২২ জন কিশোরী।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, ‘এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনের প্রথমদিনে আমরা অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। জেলা পর্যায়ে আজকে ২৮ হাজার ২৭৩ জন কিশোরীকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পেইনের প্রথম ১০দিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র সমূহে এবং পরবর্তী ৮ দিন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রসমূহে কিশোরীদেরকে এই এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। এ ভ্যাকসিনে কোন ধরণের ঝুঁকি বা বন্ধ্যাত্ব হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এইচপিভি ভ্যাকসিনের অপপ্রচার বা গুজব রোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
উল্লেখ্য, আজ (২৪ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া ক্যাম্পেইনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা ছাড়াও ১৫ উপজেলার তিন লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ জন কিশোরীকে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। এতে ৪ হাজার ৩৮৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণির ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩০ জন ও স্কুল বহির্ভূত কমিউনিটির ৭ হাজার ৫১৮ জন কিশোরী এ টিকা পাবে।
এছাড়া, এ টিকার ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালীন শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরকারি হাসপাতাল, স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে কিশোরীরা এ টিকা নিতে পারবে।
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন