চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ১৫ নম্বর ঘাট এলাকা হতে প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ৯ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-৭।
আটককৃত আসামীরা হলেন,কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ১৫নং ক্যাম্প এর মৃত মোঃ সিদ্দিক এর ছেলে সৈয়দ আলম (৪৫) (রোহিঙ্গা), উখিয়া থানাধীন বালুখালী ১০নং ক্যাম্প, সাব ব্লক-বি-টু’র মৃত আহমদ হোসেন এর ছেলে সুলতান আহম্মদ(৫৫) (রোহিঙ্গা), বালুখালী ১০নং ক্যাম্প, সাব ব্লক-বি’র নুর মোহাম্মদ এর ছেলে মোঃ ইউসুফ (৪৫)(রোহিঙ্গা),উখিয়া থানাধীন চাকমারকুল এলাকার নুর হোসেনের ছেলে মোঃ কাসিম (৩০) (রোহিঙ্গা), উখিয়া ১০নং ক্যাম্পের মোঃ নুর আহমদের ছেলে মোঃ ইসমাইল(৪০) (রোহিঙ্গা), মহেশখালী থানাধীন জালিয়াপাড়া বাঘকাটাঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে শাহ আলম (৩৫), টেকনাফ থানাধীন পশ্চিম বাজার পাড়া এলাকার মৃত আলী উল্লাহ’র ছেলে আজম উল্লাহ (৫৭), টেকনাফ থানাধীন দক্ষিন পাড়া এলাকার সিদ্দিক আহম্মদ এর ছেলে মোঃ ফারুক (২৫) এবং একই থানাধীন ডেল পাড়া এলাকার মৃত মোজাহেরুল হকের ছেলে ছানাউল্লাহ (৫৭)।
আজ শনিবার ১১ এপ্রিল সকাল ১১ টায় র্যাব-৭ এর মিডিয়া সেন্টার, চাঁদগাও ক্যাম্পে (সিপিসি-৩) আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ইয়াবা উদ্ধার ও তাদের আটকের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হাফিজুর রহমান পিএসসি।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, কতিপয় মাদক কারবারী কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একটি ফিশিং বোট(ট্রলার) যোগে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা মডেল থানাধীন ১৫নং ঘাটের দিকে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল ১০ এপ্রিল সন্ধায় র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় পৌঁছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ফিশিং বোট(ট্রলার) হতে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে ৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে উক্ত ফিশিং বোট(ট্রলার) তল্লাশী করে ইঞ্জিন রুমের বামপাশে রাখা ০৩টি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর হতে পলিথিনে স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো বিশেষ কৌশলে রক্ষিত ৫ লক্ষ পিস ইয়াবা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অভিযুক্তগণ পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবৎ কক্সবাজার জেলার সীমান্ত এলাকা হতে স্বল্পমূল্যে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় করে বেশি মুনাফা লাভের আশায় ফিশিং বোট (ট্রলার) যোগে বহন করে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান র্যাব অধিনায়ক।
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন