চট্টলার কণ্ঠ ডেস্কঃ দক্ষিণ কোরিয়ার জিওলা প্রদেশের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬ জনে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, উড়োজাহাজটিতে ওই দুইজন ছাড়া বাকি আর কেউ বেঁচে নেই। দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ১৮১ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হয় উড়োজাহাজটি।
ধারণা করা হচ্ছে, ল্যান্ডিং গিয়ারের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। স্থানীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আজ রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি চাকা ছাড়াই অবতরণ করে।
এরপর রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে পাশের দেওয়ালের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিমানটির এবং আগুন ধরে যায়। ল্যান্ডিং গিয়ারে পাখি ঢুকে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সকাল নয়টার দিকে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে জেজু এয়ারের ৭সি২২১৬ ফ্লাইটটি ১৭৫ জন যাত্রী এবং ছয়জন ক্রু নিয়ে দেশের দক্ষিণে সিউল থেকে প্রায় ২৮৮ মাইল দূরে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। জীবিত উদ্ধারকৃত ওই দুই ব্যক্তির একজন যাত্রী এবং অন্য এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট বলে অন্য এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক মুয়ান বিমানবন্দরে উদ্ধার অভিযানের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার নির্দেশ দিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার দমকল বাহিনী বিবৃতিতে বলেছে, ৮০ দমকলকর্মী এবং ৩০টিরও বেশি দমকল ট্রাক দুর্ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
ইয়োনহাপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়োজাহাজটিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার এবং দুইজন থাই নাগরিক ছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজটির বিভিন্ন অংশে আগুন জ্বলতে ও ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।
সূত্র : রয়টার্স
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন