চট্টলার কণ্ঠ ডেস্কঃ ব্রাজিলের সাও পাওলো রাজ্যে গতকাল শুক্রবার ৫৮ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু সদস্য বহনকারী একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে আরোহীদের সবাই নিহত হয়েছে।
ফ্রান্সের নির্মিত এটিআর ৭২-৫০০ বিমানটি দক্ষিণ পারানা রাজ্যের ক্যাসকাভেল থেকে সাও পাওলোর গুয়ারুলহোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় ভিনহেদো শহরে বিধ্বস্ত হয়।
স্থানীয় মিডিয়ায় সম্প্রচারিত ভিডিও চিত্রে একটি বড় বিমানকে উচ্চগতিতে মুখ থুবড়ে পড়তে দেখা যায়। অন্য কিছু ছবিতে দেখা যায়, দৃশ্যত একটি আবাসিক এলাকার দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার একটি বড় কুণ্ডলী উঠছে।
ভ্যালিনহোসের পৌর কর্তৃপক্ষ বলেছে, এই দুর্ঘটনায় কেউ বেঁচে নেই। ওই কর্তৃপক্ষের কর্মীরা কাছাকাছি অবস্থিত ভিনহেদোতে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার অভিযানে যুক্ত ছিলেন। এএফপিকে পাঠানো একটি ই-মেইলে তারা এ কথা বলেছে।
প্রায় ৭৬ হাজার অধিবাসীর ভিনহেদো শহর সাও পাওলো থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের সংখ্যা জানানোর আগে প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা ডা সিলভা এক অনুষ্ঠান চলাকালে বলেন, মনে হচ্ছে কেউ-ই বেঁচে নেই।
প্রেসিডেন্ট লুলা সান্তা ক্যাটারিনা রাজ্যের ইতাজাইতে এক বত্তৃদ্ধতার মাঝখানে বলেন, ‘সাও পাওলোর ভিনহেদো শহরে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ৫৮ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু সদস্য ছিলেন। মনে হচ্ছে সবাই মারা গেছে।’
এক বিবৃতিতে এয়ারলাইন ভোপাস বলেছিল, ফ্লাইট ২২৮৩ দুর্ঘটনায় পড়েছে। তবে দুর্ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সাও পাওলোর ফায়ার সার্ভিস বিভাগ এক্সে এক পোস্টে লিখেছে ‘বিমান বিধ্বস্ত, সাতটি দল কাজ করছে। এখন পর্যন্ত শুধু এই তথ্য আছে।’ সূত্র : এএফপি
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন