চট্টগ্রাম কণ্ঠ ডেস্কঃ আট বছর পর সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (বরখাস্ত) আবদুল্লাহিল আমান আযমী এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বন্দিশালা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তির পর গতকাল মঙ্গলবার ভোরে তাঁরা নিজ নিজ বাসায় স্বজনদের কাছে ফিরেছেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়েও আবদুল্লাহিল আমান আযমী ও মীর আহমাদ বিন কাসেমের (আরমান) মুক্ত হওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
আবদুল্লাহিল আমান আযমী জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের মেজো ছেলে।
আর মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর ছেলে।
২০১৬ সালের ৯ আগস্ট ব্যারিস্টার আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে নিজ বাসা থেকে ধরে নিয়ে যান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মিরপুর ডিওএইচএসের ১১ নম্বর সেকশনের ৭ নম্বর রোডের ৫৩৪ নম্বর বাড়ির দোতলায় থাকতেন তিনি।
এই বাসা থেকেই দুই শিশুসন্তান, স্ত্রী ও বোনের সামনে থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
এরপর আর তাঁর হদিস পাওয়া যায়নি। এর কয়েক দিন পর ২৩ আগস্ট আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে গুম করা হয় বলে অভিযোগ করে তাঁর পরিবার।
গত সোমবার রাতে সেনাবাহিনীর সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনরা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কচুক্ষেতে সমবেত হয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) ‘আয়নাঘরের বন্দিদের’ মুক্তির দাবি জানান। এর পরই তাঁরা মুক্ত হয়ে ফিরে আসেন।দুজনের ফিরে আসার কথা জানিয়ে জামায়াতের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘আল্লাহ তাআলা যেন সব গুমকৃতদের আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।’
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন