চট্টলার কণ্ঠ ডেস্কঃ দেশের সবচেয়ে বড় রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে বড় আকারের নিলাম হবে আগামী বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর)। এ নিলামে তোলা হবে এএমজি জি৬৩ মডেলের ১৬ কোটি ১০ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৬ টাকা সংরক্ষিত মূল্যের ব্র্যান্ড নিউ মার্সিডিজ বেঞ্জ এবং ৫ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ৩৪০ টাকা সংরক্ষিত মূল্যের ল্যান্ড ক্রুজার।
এ ছাড়া নিলামে থাকছে নানা ধরনের নিটেড, ওভেন, নন ওভেন, পলিয়েস্টার, ডায়েড, কটন, রেয়ন, ডেনিম ফেব্রিকস, লেডিস সু সোল, সিরামিকের ফুলদানি, ক্র্যাফট কার্টন, পিভিসি শিট, পার্টস অব অ্যান্টি শপলিফটিং সিস্টেম, ডাইসোডিয়াম সালফেট, পুরোনো কম্বল, কাপড়, ইঞ্জিন অয়েল, টাইলস, সিকিউরিটি ট্যাগ ইত্যাদি।
এ নিলামে ৭২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৭৬ টাকা সংরক্ষিত মূল্যের আনারস, আপেল, আম, পেয়ারার জুস, স্ট্রবেরি ড্রিংকসও তোলা হবে।সব মিলিয়ে অন্তত ৪৬ ধরনের পণ্য নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টম অফিস।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, যেসব চালানের পণ্য আমদানিকারকেরা ৩০ দিনের মধ্যে খালাস নেন না, ব্যবহার উপযোগিতা থাকে সেগুলো নিলাম করা কাস্টম হাউসের নিয়মিত কাজ। যেসব পণ্য নষ্ট হওয়ায় ব্যবহার উপযোগিতা হারিয়েছে কিংবা বিপজ্জনক সেগুলো ধ্বংস করা হয়। আগামী বুধবার ৪৬ লটের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের ২ হাজার ৭৬৮টি কনটেইনারে ৪৪ হাজার ২৮৮ টন, ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের ৩ হাজার ১৭০টি কন্টেইনারে ৬৩ হাজার ৪০০ টন পণ্য রয়েছে। এগুলো আমদানিকারকেরা ছাড় না করায় দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে পড়ে রয়েছে। এ ছাড়া ৩ হাজার ৩৯০ টন ওজনের ৭০ হাজার ৩৯০ প্যাকেজ এলসিএল কার্গো এবং ৫ হাজার ৪৫০ টন ওজনের ৬ হাজার ৮৪৬ প্যাকেজ খোলা (বাল্ক) পণ্য নিলামের জন্য কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিলাম ও পণ্য ধ্বংস কার্যক্রমে ধীর গতির কারণে একদিকে ডলারে আমদানি করা পণ্যের ব্যবহার উপযোগিতা হারাচ্ছে। অন্যদিকে শিপিং এজেন্টের কনটেইনার আটকা পড়ছে বছরের পর বছর। পাশাপাশি এসব কনটেইনার ও কার্গোর কারণে মূল্যবান ইয়ার্ডের স্থান ও রেফার কনটেইনারে বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে ব্যয় বাড়ছে, রাজস্বেও প্রভাব পড়ছে।
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন