সুজন ভট্টাচার্য্য,বিশেষ প্রতিনিধিঃদুর্নীতির গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পুনর্বহালের প্রতিবাদে এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নৈরাজ্য রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘বিপ্লবী ছাত্র ঐক্য’, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বান্দরবান প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রনেতারা প্রশাসনের এসব সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রনেতারা উল্লেখ করেন, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমানকে বান্দরবানে পদায়ন এবং দুর্নীতির দায়ে(ওএসডি) হওয়া কর্মকর্তা শাহীন হোসাইন চৌধুরীকে সিভিল সার্জন পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
বিপ্লবী ছাত্র ঐক্যের প্রতিনিধি ইমদাদুল হক মিলন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের এভাবে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পুনর্বহাল করা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা উচিত। সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আগেই যদি তাদের এমন দায়িত্বশীল পদে বসানো হয়, তবে প্রশাসনের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের ন্যূনতম আস্থাও উঠে যাবে।”
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি সৈয়দ জিশান আল মাশরুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না; তা কঠোর হস্তে প্রতিহত করা হবে।” এ বিষয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লবী ছাত্র ঐক্যের প্রতিনিধি ইমদাদুল হক মিলন, আরফাতুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি সৈয়দ জিশান আল মাশরুরসহ স্থানীয় বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
You must be logged in to post a comment.
আপনার মতামত দিন