
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তৎপ্রেক্ষিতে সরকার অসহায় ও দরিদ্র বিচারপ্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিতকল্পে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছেন। “সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে সরকার দেশের সামগ্রীক বিচার প্রার্থী জনগের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লিগ্যাল এইড এর সম্প্রসারণ করেছেন।
বাধ্যতামূলক এডিআর কার্যকক্রম হাতে নিয়েছেন যাতে করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় আদালতের মামলাজটে পরতে না হয়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় লিগ্যাল এইড স্টেক হোল্ডারদের ভূমিকা গুরুপূর্ণ। স্টেকহোল্ডাররা সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রমের অন্যতম ভূমিকা পালন করতে পারে। আমি আপনাদের আরো অধিকতর আন্তরিকভাবে উক্ত কার্যক্রমে সক্রীয় ভূমিকা পালন করার জন্য উদাত্ত্ব ভাবে আহবান জানাচ্ছি”।
২৭ সেপ্টেম্বর রোববার বিকাল ০৩.০০ ঘটিকায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিস চট্টগ্রামের স্মার্ট মেডিয়েশন রুমে আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার (বিচারক) সুব্রত দাশ।
ডেপুটি জেল সুপার মনির হোসেন, জেলা পুলিশের কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান এডভোকেট দিল আফরোজ, ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারু, খান ফাউন্ডেশন এর প্রকল্প সমন্বয়কারী ওমর খৈয়াম, সংসপ্তক নির্বাহী প্রধান লিটন বড়য়া, ওডেব এর প্রোগ্রাম অফিসার আলাউদ্দিন, খান ফাউন্ডেশনের আসাদুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখন।
সভায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার সিএসও নেত্রীবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিচারপ্রার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : K. Chy