
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের নতুন ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) করা হয়েছে। নতুন এই ইউনিটের খসড়া আইনও তৈরি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গতকাল সেই খসড়া মতামতের জন্য ওয়েব সাইটে দেওয়া হয়েছে।
আগে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (সংশোধনী) আইন, ২০০৩-এর মাধ্যমে র্যাব গঠন করা হয়েছিল। গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে আইনটির খসড়া দিয়ে প্রকাশ করে বলা হয়েছে, ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া সর্বসাধারণের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হলো। rab1@moha.gov.bd মেইলে মতামত প্রেরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।
খসড়ায় মোট ৯টি অধ্যায়ে ২৯টি ধারা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিটের গঠন, দায়িত্ব, তল্লাশি ও গ্রেপ্তার, ফৌজদারি অপরাধের তদন্ত, সদস্যদের অপরাধ ও শাস্তি, শৃঙ্খলা, অভিযোগ প্রতিকার, প্রশিক্ষণ এবং পুরনো র্যাবের সম্পদ ও সদস্য স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামো কার্যকর হলে র্যাব নামটি বিলুপ্ত হলেও বাহিনীটির সদস্য, স্থাপনা, অস্ত্র, সরঞ্জাম, মামলা, চুক্তি, দায়দেনা ও কার্যক্রম নতুন ইউনিটের অধীনে চলে যাবে। আইনের খসড়া অনুযায়ী, নতুন প্রস্তাবিত ইউনিটটি বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে।
আগের মতোই এর মহাপরিচালক হবেন বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। সরকার তাঁকে নিয়োগ দেবে। মহাপরিচালক সরকারের অনুমোদন নিয়ে ইউনিটকে ব্যাটালিয়ন, কম্পানি, প্লাটুন ও সেকশনে ভাগ করতে পারবেন।
ইউনিটের সার্বিক তত্ত্বাবধান সরকারের হাতে থাকবে। মহাপরিচালক পুলিশ মহাপরিদর্শকের আদেশ ও নিয়ন্ত্রণে থেকে ইউনিট পরিচালনা করবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : K. Chy